1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

বিএনপির নেতাদের চরিত্র হননের অপচেষ্টা লিপ্ত ছাত্রলীগ নেতা রবিন ও মোশারফ

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৪৪ বার পড়া হয়েছে
সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রলীগনেতা  রবিন ও নবাবপুর ইউনিয়ন ছাত্রনেতা মোশাররফ একই যোগসূত্রে থেকে বিএনপির নেতাতের চরিত্র হননের অপচেষ্টা
১নং ছবিতে যাকে দেখতেছেন সে হচ্ছে পালিয়ে যাওয়া সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মোতালেব রবিন।
২নং ছবিতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন সে হচ্ছে নবাবপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন।
উভয়জনের বাড়ি নবাবপুর ইউনিয়ন এর অন্তর্গত গোয়ালিয়া গ্রামে এবং পাশাপাশি বাড়ি। সম্প্রতি নবাবপুর ইউনিয়ন এ কালিদাস পাহালিয়া বাঁকা নদী সোজা করনের সরকারি কাজে অন্যায় ভাবে বাঁধা সৃষ্টি করে জনপ্রিয় চেয়ারম্যান জনাব জহিরুল আলম জহির এর সাথে জামেলা সৃষ্টি করে।
পরবর্তীতে এই জামেলাগুলোর কথা শুনার সাথে সাথে ছুটে আসেন নবাবপুরে সোনাগাজীর যুবনেতা উপজেলা যুবদলের সভাপতি জনাব Khurshid Bhuiyan ।
এই ছুটে আসার কথা শুনে ছাত্রলীগ নেতা রবিন তার আইডি থেকে খুরশিদ আলম কে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে পোস্ট করে।
তার কিছুক্ষণ পরে ছাত্রনেতা মোশারফ রবিনের পোষ্ট মোশাররফের আইডি থেকে শেয়ার করে যুবনেতা খুরশিদ আলমের চরিত্র হননের অপচেষ্টা করে যাহা উল্লেখিত ছবিগুলো দেখলে বুঝতে পারবেন আপনারা।
৫ই আগষ্ট এই রবিনকে নবাবপুর থেকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতার করে এই মোশাররফ।
এই মোশাররফ এর মত  ছেলেগুলোকে আশ্রয় এবং পশ্রয় দিচ্ছেন ফেনী জেলা যুবদলের সদস্য মোজাম্মেল হোসেন আরিফ , আরিফের বড় ভাই লিঠন এবং,নবাবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক জহির উদ্দিন সোহাগ,ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি বেলায়েত হোসেন।
তারা গত তিনটি ইউপি নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে আওয়ামী সমর্থীত চেয়ারম্যান এর নির্বাচনগুলো করেও শান্ত হতে পারেনি।
 তাই নবাবপুর জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষথেকে দলের হাই কমান্ডের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি উপযুক্ত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।
নাহয় এরাই আওয়ামীলীগ দোসরদের পশ্রয় দিয়ে জাতীয়তাবাদী পরিবারের অবস্থা তলানিতে নিয়ে যাবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com