1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আ.লীগ-জামাত-চরমোনাইকে আহ্বান, বিতর্কে উপজেলা বিএনপি সভাপতির

মাহিন খান রোমান
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রা ও র‌্যালিকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি তালুকদার আবুল কালাম আজাদ।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে এক আলোচনা সভায় বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় ঘোষিত র‌্যালিতে যোগদানের আহ্বান জানাতে গিয়ে তিনি বক্তব্যে বলেন, “এই র‌্যালিতে আওয়ামী লীগ নাই, চরমোনাই নাই, জামাত নাই, সবাই যোগদান করবেন ।” তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তে ভাইরাল হয়। ফেসবুকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তা নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা।
তৃণমূল বিএনপি নেতাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন— প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মতো দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে এমন অযাচিত মন্তব্য শুধু দৃষ্টিকটুই নয়, বরং দলীয় ঐক্য ও কৌশল নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। তাদের মতে, দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য।
অন্যদিকে সাধারণ স্থানীয়রা মনে করছেন, সভাপতি আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য বিএনপির আদর্শ ও সাংগঠনিক নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। অনেকেই বলছেন, এর ফলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সুযোগ নিচ্ছে এবং দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির অন্যান্য নেতাদের মধ্যে ভিন্নমত থাকলেও, আলোচনা-সমালোচনার ঝড় এখনো থামেনি। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল মনে করছে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মতো আনন্দঘন আয়োজনকে ঘিরে এমন মন্তব্য দলীয় অভ্যন্তরে অস্বস্তি তৈরি করেছে।
এবিষয়ে জানতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি তালুকদার আবুল কালাম আজাদ এর ব্যহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে ঝালকাঠি জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এ্যাডঃ শাহাদাৎ হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ, জামাত, চরমোনাইকে পূর্ণবাসনের দায়িত্ব দল থেকে রাজাপুর উপজেলার বিএনপির সভাপতি তালুকদার আবুল কালাম আজাদকে দেওয়া হয় নাই।
তিনি আরও বলেন, রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে দলের শীর্ষ পর্যায়ে থেকে তাহার পদ স্থগিত করা হইলেও কোন এক নেতার ইন্দনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে যাইতেছে, হয়তোবা ঐ নেতার ইন্দোনেই আবুল কালাম আজাদ অনুরূপ বক্তব্য দিয়েছেন। তাহার বক্তব্যের দায় দল নেবে না
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com