1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবি স্বভাবসুলভ বাগাড়ম্বর ও স্ট্যান্ডবাজি: রিজভী চাঁদাবাজি ও নিরাপত্তাহীনতার বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নাটোরের লালপুরে প্রতিমন্ত্রীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর আড়ৎ ঘর দখলের অভিযোগ হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু ঈদুল আজহা ত্যাগের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য অর্জনের উৎসব: বিএনপি মহাসচিব খাল পুনঃখনন ও রামরাই দিঘি পরিদর্শনে করলেন জেলা প্রশাসক জানাজা শেষে চিরবিদায় ৯ যুবকের, কান্নায় ভারী নওগাঁর আকাশ-বাতাস কোরবানির প্রকৃত মর্মকথার অমিও বাণী আত্মত্যাগ বনাম আধুনিকতার আড়ম্বর দেড় মাসেও নিখোঁজ মিরাজ শেখ, কোস্ট গার্ডের বিরুদ্ধে তুলে নেওয়ার অভিযোগে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন সুন্দরবনে ‘চাচা ভাইপো’ নামে নতুন ডাকাত দল গঠনের চেষ্টা, অস্ত্রসহ আটক ২

ভুল চিকিৎসায় ঝরছে প্রাণ, টঙ্গীবাড়ীতে প্রশাসনের চোখ বন্ধ

হোসেন হাওলাদার
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৯৮ বার পড়া হয়েছে
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী থানা সংলগ্ন টঙ্গীবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসকদের ভুল চিকিৎসায় একাধিক রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও এখনো কোনো পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। এতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ রয়েছে, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও চিকিৎসকদের অদক্ষতায় ছোট-বড় দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটছে এই হাসপাতালে।
সর্বশেষ ঘটনা ঘটে গত ৮ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সকালে। উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের আরিফ শেখ তার গর্ভবতী স্ত্রী, দুই সন্তানের জননী রাবেয়াকে নিয়মিত চেকআপ করাতে নিয়ে আসেন উক্ত ক্লিনিকে।
কর্তব্যরত চিকিৎসক জেসমিন জাহান তাকে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন এবং দুপুর আড়াইটায় অপারেশনের সময় নির্ধারণ করেন। নির্ধারিত সময়ে রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার পর একটি ইনজেকশন দেওয়ার সাথে সাথেই তার শারীরিক অবস্থা দ্রুত অবনতি হতে থাকে। পরে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ রাবেয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ডামেক) রেফার্ড করে।
সেখানে আল্ট্রাসনোগ্রামে জানা যায়, রাবেয়ার গর্ভের সন্তান মারা গেছে। রাতেই অপারেশন করে মৃত শিশুর ডেলিভারি করা হয়। তবে রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয় এবং বৃহস্পতিবার ভোরে রাবেয়ার মৃত্যু হয়।
নিহতের বোন ফাতেমা অভিযোগ করে বলেন—
“ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও ডাক্তারদের ভুল চিকিৎসার কারণেই আমার বোন ও তার সন্তান মারা গেছে। আমরা এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।”
এ বিষয়ে ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স চম্পা খাতুন স্বীকার করে বলেন—
“আমি কিলব্যাক ইনজেকশন দেওয়ার সাথে সাথেই রোগীর অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়।”
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, এ ধরণের একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও ক্লিনিকটির বিরুদ্ধে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com