1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে কুপিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ৫ সংরক্ষিত নারী আসন: ইসির কাছে মনোনয়ন জমা দিচ্ছেন বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রার্থীরা মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার

একটি ষড়যন্ত্রকারি মহল সব সময় আলেমদের মধ্যে দ্বিধা-বিভক্তি তৈরী করে তারা ফায়দা লূটার চেষ্টা করেছে-দেলাওয়ার হোসেন

মাজেদুর রহমান
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারি সেক্রেটারী ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যের দ্বারপ্রান্তে পৌছে গেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিশসহ সমমনা ইসলামী দলগুলো একটি প্ল্যাটফর্মে আসার জন্য চেষ্টা চলছে, এবং সে চেষ্টা অনেক দূর এগিয়েছে।
এই চেষ্টা যদি সফল হয়, তাহলে আগামী সংসদ নির্বাচনে সকল ইসলামী দলগুলোর ব্যালট বাক্স হবে একটি। সেটি যদি বাস্তবায়ন হয়, তাহলে বাংলাদেশে ইসলামের বিজয় আর বেশি দূরে নয়। তবে এর জন্য আরো বেশি ত্যাগের নজরানা পেশ করতে হবে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের মির্জা রুহুল আমিন পৌর মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ঠাকুরগাঁও-১ সদর আসনের উলামা মাশায়েখদের নিয়ে সিরাতুন্নবী (সা:) সেমিনারে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, রাসূল (সা:) এর আদর্শ যদি আমরা আমাদের জীবনে, সমাজে, রাষ্ট্রে বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করতাম তাহলে আজকে মুসলমানদের এ দূর্দশা হতো না। আমদের আলেম সমাজের এই দূর্দশা হতো না। বিগত ৫৪ বছরে বাংলাদেশে ইসলাম পন্থীদের ওপরে, আলেম উলামাদের ওপরে যে জুলুম নির্যাতন হয়েছে। এই জুলুম নির্যাতন থেকে কোন শ্রেণি পেশার আলেমরা রেহাই পাননি। হাজরো আলেমের উস্তাদ শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক, মুফতি ফজলুল আমীনি, আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, আল্লামা মামুনুল হক, মুফতী আমির হামজাসহ হাজার হাজার আলেম উলামাকে অন্যায়ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। হামলা মামলা দিয়ে কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়েছে।
দেলাওয়ার হোসেন বলেন, এসবের মূল কারণ হচ্ছে আলেমদের মধ্যে দ্বিধা-বিভক্তি। একটি ষড়যন্ত্রকারি মহল সব সময় আলেমদের মধ্যে দ্বিধা-বিভক্তি তৈরী করে তারা ফায়দা লূটার চেষ্টা করেছে। আর আমরা মনে করেছি, আমাকে তো এখন ধরছে না। আমার ওপর তো জুলুম হচ্ছে না। সুতরাং চুপ থাকলেই আমি বেঁচে যাবো। এই নীতি অবলম্বন করার কারণে এক এক করে আমরা কেউ পার পাইনি। যদি শুরু থেকেই আমরা একতাবদ্ধ থাকতাম, সকল ইসলামী দলগুলো এক প্ল্যাটফর্মে থেকে ইসলাম বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতাম, তাহলে এতো বড় ক্ষতি করার সাহস কোন সরকার পেতো না। সুতরাং এখনো আমাদের সময় আছে, বিভাজনের পথ থেকে ফিরে এসে আলেমদেরকে একতাবদ্ধ হতে হবে।
ঠাকুরগাঁও জেলা উলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা ফজলে রাব্বী মোর্তজাবীর সভাপতিত্বে ও ঠাকুরগাঁও শহর জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা শামসুজ্জামান শাহ শামীম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারি পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাবেক ঠাকুরগাঁও জেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল হাকিম, বর্তমান জেলা আমীর অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন প্রধান, জেলা সেক্রেটারী মোহাম্মদ আলমগীর, সহকারি জেলা সেক্রেটারী অধ্যক্ষ কফিল উদ্দিন আহাম্মদ প্রমুখ।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com