1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি সংরক্ষিত নারী আসনে ‘প্রবীণ-নবীনের সমন্বয়ে’ সুন্দর মনোনয়ন হয়েছে: সেলিমা রহমান ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে কুপিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ৫ সংরক্ষিত নারী আসন: ইসির কাছে মনোনয়ন জমা দিচ্ছেন বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রার্থীরা মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত

লেমুয়া ইউনিয়নে জামায়াতের ভোট রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক সামাজিকভাবে অনুদানের টাকা দেওয়াকে ও জামাতের টাকা বলে প্রচার করা হয়

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২০৬ বার পড়া হয়েছে

ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নে জামায়াতের রাজনীতিকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ— ভোটের স্বার্থে জামায়াত এখন আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। সম্প্রতি লেমুয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমিরসহ কয়েকজন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, তারা বালু মহলের টাকা ইউনিয়ন পরিষদের ৩০ কেজি চালসহ ত্রাণ ও পূর্ণবাসন সহায়তার টাকা-পয়সা আত্মসাৎ এবং নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। এমনকি আওয়ামী লীগের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারফ উদ্দিন নাসিমের দেহরক্ষী মোশারফের পরিবারকে জামায়াত নেতা বাবুল ওরফে “ডিম বাবুল” মোঃ আরিফ,এবং জিয়াউল হক তুহিনসহ আরও কয়েকজন ৬০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে এমন প্রচারণা করা হয়েছে স্থানীয় জামায়তের পক্ষ থেকে । এর আগে ডিম বাবুল ও তুহিন নাসিমের ঘনিষ্ঠ যুবলীগ নেতা শংকর শীলকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ গেলে বাঁধা দেন এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন, নাসিমের দেহরক্ষী মোশারফ একসময় আওয়ামী লীগের ক্ষমতার দাপটে এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর চরম নির্যাতন চালাতেন। এমনকি যখন জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তখন তিনি ফেনী ও লেমুয়ায় হিন্দু যুবলীগ নেতাদের নিয়ে মিছিল করেছিলেন। কেরোনিয়া মসজিদে জামায়াত নেতাদের বৈঠক ভেঙে দিয়ে মসজিদ ঘেরাও ও লেমুয়া একাডেমিতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাতেও তিনি সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় সমাজ কমিটির গণ্যমান্য ব্যক্তি মোঃ হারুন, সেলিম তালুকদার, মোঃ শাহাদাত, মহিউদ্দিন, এরা বলেছে সমাজের পক্ষ থেকে টাকাগুলো উত্তোলন করে মোশারফের পরিবারকে দেয়া হয়েছে এখানে জামায়াতের নাম কেন আসলো এই অপপ্রচার কারা করল। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন, “জামায়াত সস্তায় ভোটের রাজনীতি করছে। আওয়ামী লীগের যেসব অপরাধী অতীতে এলাকায় সন্ত্রাস ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে জামায়াত এখন ভোটের জন্য সুবিধা নিতে চাইছে।” তাদের মতে, এ ধরনের আপসনির্ভর রাজনীতি গণতন্ত্র বা সাধারণ মানুষের জন্য শুভ হতে পারে না।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com