1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রোম পুড়লে আমরা নিরো হয়ে বাঁশি বাজাবো না: জামায়াত আমির মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম কইরেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী শিরোমনি জুট স্পিনার মিল চালু ও সকল পাওনা পরিশোধের দাবিতে শ্রমিক জনসভা ‘চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না’: রনি সৌদি আরবে পৌঁছেছে প্রথম হজ ফ্লাইট কুরুচিপূর্ণ শব্দের ব‍্যবহার ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান এবি পার্টির আঠারবাড়ী মহাশ্মশানে শ্মশান কালী পূজা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় যুবকের দ্বিতীয় বিয়ে, গ্রামবাসীর হস্তক্ষেপে সমাধান ১৭ই এপ্রিল পীরগঞ্জে গনহত্যা দিবস অনুষ্ঠিত ছাত্রকে বলাৎকারের মামলায় মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার

গোলাপীর বিয়ে টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন সুনামগঞ্জের গণমাধ্যম কর্মী মুহাম্মদ নূর

শফিকুল বারি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
  • ৯৬৭ বার পড়া হয়েছে
জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের সাথে এই প্রথমবার নাটকে অভিনয় করলেন সুনামগঞ্জের গণমাধ্যম কর্মী মোহাম্মদ নূর।
‎সম্প্রতি তরুণ লেখক  খালেদ উসমানীর রচনা ও পরিচালনায় গোলাপির বিয়ে নাটকের দৃশ্য ইতিমধ্যে ধারণ সম্পন্ন হয়েছে।
‎জানা যায়, এই নাটকে একজন সুন্দরী মেয়ে কিভাবে চা বিক্রি করে সংসারের  হাল ধরে রেখেছেন। তবে তিনি দেখতে অনেক সুন্দর হলেও চেহারা কালো করে রাখতেন খারাপ লোকের দৃষ্টি থেকে রেহাই পেতে । তারপরেও গ্রামের দুষ্টু লোকদের দৃষ্টি থেকে রেহাই পেতেন না সেই  গোলাপি । অবশেষে নাটকের অন্যতম চরিত্রে বাক প্রতিবন্ধী দিনমজুর রমজানের কপালে জুটবে সেই চা বিক্রেতা গোলাপি। অসংখ্য গল্প কাহিনী নিয়ে সাজানো হয়েছে এই নাটক।
‎অন্যদিকে সুনামগঞ্জের  গণমাধ্যম কর্মী ও সংস্কৃতি অঙ্গনের খুবই পরিচিত মুখ,  মোহাম্মদ নুরকে ও দেখা মিলবে ভিন্ন এক চরিত্রে, যেখানে তিনি সারাদিন ললিপপ, চকলেট খেয়ে ঘুরে বেড়ান। এক পর্যায়ে সবাই তাকে চকলেট মিলন নামেই ডাকে। নাটকে তিনি এক এনজিওর কর্মকর্তা মেয়ের প্রেমে পড়ে যায় তবে লাজ শরমে বলতে পারেন না। তবে এরও এক সুন্দর অবসান ঘটবে এই নাটকে।
‎মোহাম্মদ নুর বলেন, আমার জীবনের এই প্রথম একজন গুণী মানুষের নাটকে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। এই নাটকের যাত্রা শুরু করে হয়তো ভবিষ্যতে আরো নাটক করার ইচ্ছা আমার মনে জেগে উঠেছে । এই নাটকে শুটিং করার সময় লক্ষ্য করেছি পরিচালকের অনেক দক্ষ ও মেধা শ্রম দিয়েও  প্রচন্ড গরমেও তিনি কিভাবে আর্টিস্টদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। আর নাটকে থাকা প্রত্যেক  অভিনয় শিল্পীরা খুবই চমৎকার পারফরম্যান্স করেছে। তিনি আরও বলেন, এই নাটকের প্রত্যেকেই সিলেটের জনপ্রিয় মুখ তাঁরা খুব বিনয়ী ও অভিজ্ঞ যদিও তাদের মাঝে আমি একমাত্র নতুন ছিলাম। তাদের সহযোগিতায় ভালোবাসায়  আমি সত্যি মুগ্ধ হয়েছি।
‎নাটকের নির্মাতা খালেদ উসমানী বলেন, আমার লেখা ও নাটক নির্মানে সব সময় দর্শকদের নতুন কিছু উপহার দেওয়ার চেষ্টা করি। এই নাটকেও প্রধান একটি চরিত্রে একটি দরিদ্র পরিবারের মেয়ে গোলাপি’র জীবন সংগ্রাম নিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। আমি ধন্যবাদ জানাই যারা এই নাটকে অভিনয় করেছেন। বিভিন্ন আর্টিস্ট আমাকে সহযোগিতা করেছেন। যারা ক্যামেরায় ছিল, মেকআপ দিকনির্দেশনা ছিল সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এবং আমি আশাবাদী এই নাটক রিলিজ হওয়ার পরে দর্শক প্রিয় হয়ে উঠবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com