1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাল থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২২ আসামী গ্রেফতার জামালপুরে জামিন নিতে এসে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ আ’লীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে

চাঁদাবাজি বন্ধে পথে নামলেন অটোচালকরা: প্রশাসনকে স্মারকলিপি

শামীম আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৯৪ বার পড়া হয়েছে

কেন্দুয়া নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দূরপাল্লার বাসে, খেলার মাঠের পাশে সিএনজি স্ট্যান্ডে এবং অস্বচ্ছল অটোরিকশা বা রিকশা ড্রাইভারদের থেকে ধীর্ঘ সময় ধরে একটি চক্র জোরপূর্বক চাঁদা আদায়  করে আসছিল। প্রায় ৭ বছর চাঁদাবাজি নীরবে সহ্য করে আসলেও এবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন চালকরা।

গত ৭ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনে অসীম কুমার উকিলকে হারিয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ইফতেখার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই চাঁদাবাজ চক্রের অবৈধ সিন্ডিকেট ভাঙতে শুরু করে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চালকরা। তাদের অভিযোগ সাবেক এমপি অসীম উকিলের আস্থাভাজন কেন্দুয়া পৌরসভার মেয়র আসাদুল হক ভূইয়ার মদদেই এই চাঁদা উঠাতো তারই অনুগতরা। সংসদ সদস্য ইফতেখার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু নির্বাচনী সভাতেও প্রকাশ্যে এই চাঁদাবাজি বন্ধের অঙ্গীকার করেছিলেন। এর প্রেক্ষিতেই সম্প্রতি চাঁদাবাজির শিকার সংক্ষুব্ধ চালকরা প্রতিকারের আশায় প্রতিবাদ মিছিল করে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন।নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক সাবেক ছাত্রনেতা অভিযোগ করে বলেন, মূলত মেয়র এবং কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল হক ভূইয়ার নেতৃত্বেই চাঁদা সমূহ আদায় করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলা পরিষদের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বিপুল। তিনি বলেন, ‘সিএনজি স্ট্যান্ডে প্রতিদিন লটারির ভিত্তিতে চলে ট্রিপ কিন্তু মেয়রের ভাইয়ের সিএনজিগুলোতে থাকে না কোন সিরিয়াল। লটারির ভিত্তিতে ট্রিপ চললেও গুণতে হয় প্রতিদিন বিশাল অংকের চাঁদা। অটোরিকশা চালকরাও এই চাঁদাবাজি থেকে রেহাই পান না। পৌরসভার বাৎসরিক চাঁদার পাশাপাশি প্রতিদিন ৩০ টাকা করে চাঁদা নেয়া হয়৷ ক্ষেত্র বিশেষে চাঁদার পরিমাণ বেড়ে যায় এবং সঠিক চাঁদা না দিলে পৌরসভাতে প্রবেশ করতে দেয়া হয় না।

চাঁদাবাজি বন্ধে সোচ্চার স্থানীয় এক শ্রমিক নেতা বলেন, ‘দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে সাবেক এমপি ইফতেখার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু নির্বাচনী প্রচারণায় বলেছেন- কেন্দুয়াকে চাঁদাবাজদের থেকে মুক্ত করা হবে। অসীম কুমার উকিলের বিপক্ষে পিন্টুর জয় মূলত চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জনতার রায়। অটোরিকশায় চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে অটোরিকশা চালকগণ কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এবং চাঁদাবাজি বন্ধে সোচ্চার হয়েছেন। আমরা আশা করব প্রশাসন শ্রমজীবী মানুষের রক্তশোষণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে এবং স্থায়ীভাবে এই চাঁদাবাজি বন্ধ করবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com