1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের প্রতিনিধি দল মাথা ঝুঁকিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানের কোচ ইরানে বিপ্লবী গার্ডের দুই সেনাকে গুলি করে হত্যা বকেয়াসহ জুলাই থেকে নিয়মিত বেতন পাবেন মাদ্রাসা শিক্ষকরা: শিক্ষামন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারসহ সব দুর্নীতি তদন্ত করা উচিত: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ‘শিবির কি শেখ মুজিবের স্থলে ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায়?’ যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি মানলে ইরানও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে: পেজেশকিয়ান ফুলবাড়ীতে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচার, উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ছয় মাসে ৩৩০ কোটি টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ, আটক ১৪০: বিজিবি

ফরিদপুরের সালথায় পরকীয়ার অভিযোগে এএসআইকে গণপিটুনি

নাজিম বকাউল
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২৬ বার পড়া হয়েছে
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় গভীর রাতে মাদক মামলার এক আসামির বাড়িতে গিয়ে স্থানীয় জনতার হাতে আটক হয়ে গণপিটুনির শিকার হয়েছেন পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই)। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত  ৩টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত ওই পুলিশ কর্মকর্তা মো. ইমরান হাসান (৪০), তিনি রামকান্তপুর ইউনিয়নের সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বলিভদ্রদিয়া এলাকার মো. মেহেদী হাসান (২৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সালথা ও পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই মামলার সূত্র ধরে এএসআই ইমরান প্রায়ই মেহেদীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এ নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার রাতে এএসআই ইমরান সাদা পোশাকে মেহেদীর বাড়িতে গেলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে মারধর করে। পরে খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায়—সাধারণ পোশাকে থাকা ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে আহত অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদ ও মারধর করা হচ্ছে। ভিডিওতে তার কাছ থেকে কিছু আপত্তিকর সামগ্রী উদ্ধারের দাবিও করতে শোনা যায় উপস্থিত এক ব্যক্তিকে।
মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসানের পরিবারের দাবি, এটি পরকীয়াজনিত ঘটনা। তাদের অভিযোগ, এএসআই ইমরান দীর্ঘদিন ধরে মেহেদীর স্ত্রীকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন এবং ঘটনার রাতে গোপনে ঘরে প্রবেশ করলে এলাকাবাসী তাকে হাতেনাতে আটক করে।
অন্যদিকে, এএসআই ইমরান হাসান দাবি করেন, তিনি মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সেখানে গিয়েছিলেন। তবে গভীর রাতে একা এবং সাদা পোশাকে অভিযানে যাওয়ার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, মাদক মামলার আসামিকে ধরতে গেলে স্থানীয়রা ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক করে মারধর করে। কেন তিনি একা এবং পুলিশের পোশাক ছাড়া সেখানে গিয়েছিলেন—বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com