1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোমনি জুট স্পিনার মিল চালু ও সকল পাওনা পরিশোধের দাবিতে শ্রমিক জনসভা ‘চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না’: রনি সৌদি আরবে পৌঁছেছে প্রথম হজ ফ্লাইট কুরুচিপূর্ণ শব্দের ব‍্যবহার ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান এবি পার্টির আঠারবাড়ী মহাশ্মশানে শ্মশান কালী পূজা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় যুবকের দ্বিতীয় বিয়ে, গ্রামবাসীর হস্তক্ষেপে সমাধান ১৭ই এপ্রিল পীরগঞ্জে গনহত্যা দিবস অনুষ্ঠিত ছাত্রকে বলাৎকারের মামলায় মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার ডি এম আবু হানিফ স্টাফ রিপোর্টার টাঙ্গাইল খাগড়াছড়িতে ছাত্র পরিষদের সদস্য নীতিশ চাকমা’র আত্মবলিদানের ৩৩ বছর আজ

বাগেরহাটের ৩৭৫ বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

জিসান কবিরাজ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪
  • ৯৪৮ বার পড়া হয়েছে
বাগেরহাটে ৩৭৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। এসব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। কিছু বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলেও সব বিদ্যালয়ে তা হয়নি। অভিভাবকরা বলছেন, প্রধান শিক্ষকের পদ খালি থাকায় বিদ্যালয়গুলো অনেকটা অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকরা অনেক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। ফলে সমস্যা ঝুলে থাকে। এতে তাদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।
সদর উপজেলার দড়িতালুক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লুৎফা হক বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক না থাকায় আমাদের ওপর কাজের চাপ বেড়ে যায়। ক্লাস ফাঁকা রেখে দাপ্তরিক কাজ করতে হয়। মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কাজের নির্দেশনা আসলে আমাদের অতিরিক্ত চাপে পড়তে হয়। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকশূন্যতার কারণে প্রশাসনিক কার্যক্রমও ব্যাহত হয়। এতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় সহকারী শিক্ষকদের।’
নাছিমা বেগম নামে একজন অভিভাবক বলেন, ‘স্কুলে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিভিন্ন সময় বিড়ম্বনায় পড়লেও সহজে সমাধান করা যায় না।’ উত্তর হাড়িখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শারমিনা হক হীরা বলেন, ‘একজন অভিভাবক ছাড়া বিদ্যালয় চলতে পারে না। ভারপ্রাপ্ত দিয়ে কার্যক্রম দায়সারাভাবে চালানো গেলেও তা পরিপূর্ণ হয় না।’এই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আঁখি আক্তার মিম বলে, ‘আমাদের স্কুলে হেড স্যার নেই। আমাদের একজন স্যার দরকার।’
এই সমস্যার কবে সমাধান হবে তা বলতে পারেননি বাগেরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহ আলম। তিনি বলেন, ‘এ জেলায় ১ হাজার ১৬২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৭৫টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে ২১৫টিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৬০টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ সম্পূর্ণ শূন্য রয়েছে।‘তিনি বলেন, ‘বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com