1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডুবন্ত পণ্যবাহী কার্গোতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশের সন্দেহ নোবিপ্রবিতে শহীদুল্লা কায়সারের সাহিত্যকর্ম বিষয়ক সেমিনার মন্ত্রীর পেছনে আমরা টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের জামিন জনতা ব্যাংক কাদিরগঞ্জ শাখার এটিএম বুথের উদ্বোধন বাজেটে মোট ঘাটতি দুই লাখ কোটি টাকা, কমছে সরকারি ব্যয়: সংসদে অর্থমন্ত্রী কোটি কোটি মানুষ ক্ষুধার্ত, আর এক খেলার পেছনে গোটা পৃথিবীর উন্মাদনা: আহমাদুল্লাহ আরও ২,৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার পেল ইসলামী ব্যাংক ‘উড়ে যাওয়া পাখি কোনো দাগ রাখে না’: জাপানিদের স্টেডিয়াম পরিষ্কার করার গোপন রহস্য ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা রোগির ৪১ হাজার টাকা চুরি

মোস্তাফিজুর রহমান-জনগণের আস্থার প্রতীক

এম,এ,মান্নান
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে জনগণের আস্থা অর্জন করা সহজ কোনো কাজ নয়। অনেকেই রাজনীতিতে প্রবেশ করেন ক্ষমতা ও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য, কিন্তু জনগণের জন্য নিজেকে নিবেদিত করে এমন নেতার সংখ্যা খুব বেশি নয়। নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার) আসনের মানুষের কাছে মোস্তাফিজুর রহমান এমন একজন নেতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে থেকেছেন এবং মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন।জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া খুব সহজ নয়। রাজনীতির মাঠে অসংখ্য মানুষ আসেন, অনেকেই ক্ষমতার মোহে নিজেদের স্বার্থকেই বড় করে দেখেন। কিন্তু এমন কিছু মানুষ আছেন, যারা জীবনের প্রতিটি ধাপে শুধু মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য নিজেদের বিলিয়ে দেন। নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা, সাপাহার) আসনের প্রিয় মুখ মোস্তাফিজুর রহমান তাঁদের মধ্যেই একজন।মোস্তাফিজুর রহমান একাধিকবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। জনপ্রতিনিধি হয়ে তিনি কখনো নিজের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেননি; বরং সর্বদা সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিয়েছেন। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হোক বা দুঃস্থ-অসহায়দের সহায়তা, তিনি সর্বত্রই ছিলেন অগ্রণী ভূমিকার অধিকারী। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সাহায্য করার জন্য তিনি নিজের সামর্থ্যের সীমা অতিক্রম করে এগিয়ে এসেছেন। এর স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি নওগাঁ জেলার শ্রেষ্ঠ দানকারীর পুরস্কার অর্জন করেন, যা তাঁর মানবিকতা ও উদারতার প্রতীক হিসেবে মানুষের কাছে গৌরবের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
একজন প্রকৃত জনপ্রতিনিধি শুধু নির্বাচনী সময়ে মানুষের দ্বারে যান না, বরং সারাবছর মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন। মোস্তাফিজুর রহমান সেই ধারার একজন উদাহরণ। তিনি সাধারণ মানুষদের সমস্যার কথা শোনেন, সমাধানের চেষ্টা করেন এবং তাদের পাশে দাঁড়ান। এ কারণেই নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার উপজেলার সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন পেলে জনগণের ভোটে বিজয়ী হবেন।
এ অঞ্চলের মানুষদের আশা, তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তাঁর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, সততা ও ত্যাগের মাধ্যমে স্থানীয় উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নেবেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে বিশ্বাস করেন সাধারণ মানুষ।রাজনীতি মানে যদি মানুষের কল্যাণে কাজ করা হয়, তবে মোস্তাফিজুর রহমান তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি একজন মানবিক মানুষ, একজন সমাজসেবক এবং জনগণের আস্থার প্রতীক। তাই নওগাঁ-১ আসনের মানুষের দৃঢ় বিশ্বাস, ধানের শীষের মনোনয়ন পেলে তিনি নির্বাচনে বিজয়ী হবেন এবং আগের মতোই জনগণের সঙ্গে মিশে থেকে তাঁদের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করবেন।মোস্তাফিজুর রহমান মানুষের চোখে শুধু একজন নেতা নন; তিনি আশার আলো, তিনি ভরসার প্রতীক। নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহারের প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি মানুষের মনে তাঁর জন্য এক অটুট বিশ্বাস জন্ম নিয়েছে। মানুষ মনে করে—যদি তিনি ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হন, তবে তিনিই হবেন আগামী দিনের সত্যিকারের জনপ্রতিনিধি।এ অঞ্চলের দরিদ্র কৃষক, দিনমজুর, শ্রমজীবী, ছাত্র-যুবক—সবাই বিশ্বাস করেন, মোস্তাফিজুর রহমান তাঁদেরই একজন। তাঁর হাসি-খুশি মিশুক স্বভাব, মানুষের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ, আর নিঃস্বার্থ দানশীলতা তাঁকে সাধারণ মানুষের ঘরের মানুষ বানিয়েছে। তিনি নির্বাচিত হলে শুধু সংসদে বসে থাকবেন না, বরং মাঠে-ঘাটে, গ্রামে-গঞ্জে মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন—এমনটাই আশা মানুষের।রাজনীতি মানে যদি ত্যাগ হয়, যদি রাজনীতি মানে হয় মানুষের পাশে দাঁড়ানো—তাহলে মোস্তাফিজুর রহমান তার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। তাঁর জন্য মানুষের প্রার্থনা, তাঁর জন্য মানুষের ভালোবাসা আজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উথলে উঠেছে। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন পান তিনি। জনগণের ভালোবাসা আর আস্থায় তিনি বিপুল ভোটে এগিয়ে ছিলেন। চারদিকেই বিজয়ের জোয়ার দেখা দিয়েছিল। কিন্তু সেই নির্বাচনে তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়নি—এক অন্যায়ের শিকার হয়েছিলেন তিনি। এ ঘটনার পরও তিনি জনগণকে ছেড়ে যাননি; বরং আরও দৃঢ়ভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
আজ নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহারের প্রতিটি গ্রামে প্রতিটি মানুষের মুখে একই দাবি—ধানের শীষে মোস্তাফিজুর রহমান আবারও প্রার্থী হোন। কারণ মানুষ জানে, তিনি জয়ী হলে শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে নয়, একজন অভিভাবক হিসেবে মানুষের পাশে থেকে তাদের স্বপ্ন পূরণ করবেন।রাজনীতি তাঁর কাছে ক্ষমতা নয়, রাজনীতি তাঁর কাছে মানুষের সেবা। আর এ কারণেই মোস্তাফিজুর রহমান হয়ে উঠেছেন জনগণের আস্থার প্রতিচ্ছবি, ভালোবাসার প্রতীক।তাই এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কণ্ঠে এখন একটাই আশা—

ধানের শীষ নিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান আসবেন, আর বিজয় ছিনিয়ে এনে মানুষের স্বপ্ন পূরণ করবেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com