দুই বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় শিগগিরই নতুন নেতৃত্ব পেতে যাচ্ছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সম্ভাব্য নেতাদের তালিকা ছোট করে আনা হয়েছে। দলটির নীতিনির্ধারণী মহলের চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই শেষে যেকোনো মুহূর্তে ছাত্রদলের নতুন আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা হতে পারে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি সরাসরি তদারকি করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিগত দিনে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, কারাবরণ, জুলাই বিপ্লবে পারফরম্যান্স, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকে এবার শীর্ষ পদের মূল মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সাবেক নেতাদের প্রভাব বা ‘সিন্ডিকেট’ এড়িয়ে যেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে বলেও দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান। ওই বৈঠকে নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ও তাদের বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।
ছাত্রদলের একাধিক সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় শীর্ষ পদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃত্বের জন্য বেশ কয়েকজনের নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন—এ বি এম ইজাজুল কবির (রুয়েল), মনজুরুল আলম (রিয়াদ), আমান উল্লাহ আমান, এইচ এম আবু জাফর (জাফর), মমিনুল ইসলাম (জিসান), ইব্রাহিম খলিল, রাজু আহমেদ, খোরশেদ আলম (সোহেল), কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত, আরিফুল ইসলাম (আরিফ), তরিকুল ইসলাম (তারিক), আবদুর রহিম (রনি) ও মিনহাজ আহমেদ (প্রিন্স)।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন জানান, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রাখা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সেবায় সক্ষমতার প্রমাণ দেওয়া নেতারাই আগামী কমিটিতে প্রাধান্য পাবেন। প্রথম ধাপে শীর্ষ পাঁচ সদস্যের কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে নতুন নেতৃত্বের পথচলা শুরু হতে পারে।