1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় সাইদুর রহমান বাচ্চু

মোঃ আবুসুফিয়ান তালুকদার
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৫২ বার পড়া হয়েছে
সিরাজগঞ্জ-৩ আসন (রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা) ঘিরে বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্বের দক্ষতার কারণে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
 এ বিষয়ে বাচ্চু বলেন,
“আমি সবসময় দলের জন্য কাজ করেছি এবং করে যাচ্ছি। দলের চেয়ারম্যান যদি আমাকে সিরাজগঞ্জের যেকোনো স্থানে দায়িত্ব দেন, আমি সেখানে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকব।”
তিনি আরও যোগ করেন,
“সিরাজগঞ্জের কৃতী সন্তান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ভাই আমাদের অভিভাবকস্বরূপ। যদি তিনি মনে করেন আমাকে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে জনগণের পাশে দাঁড় করাতে হবে, আমি অবশ্যই তার সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করব।”
 দলীয় ঐক্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“আমি সবসময় চাই বিএনপি ঐক্যবদ্ধ থাকুক। ধানের শীষকে জয়ী করার জন্য আমার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।”
 রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিরাজগঞ্জ-৩ আসন সবসময়ই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যদি আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি থেকে সাইদুর রহমান বাচ্চু প্রার্থী হন, তবে তৃণমূলের শক্তিশালী সমর্থন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের ঐক্য তার বড় শক্তি হয়ে উঠবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com