থানায় দায়ের করা অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতা ও মামলা-মোকদ্দমার জেরে দীর্ঘদিন ধরেই দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ চলছিল। গত ২৫ আগস্ট রাত ১০টার দিকে বড়তলা বাজার থেকে শ্যালকের নিকট থেকে ধার নেওয়া ৩০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন কলিম উদ্দিন। পথিমধ্যে আলামিনের বন্ধ দোকানের পাশে সরকারি পাকা সড়কে পৌঁছালে জলিল মিয়া ও তার দুই সহযোগী দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর পথরোধ করে। জলিল মিয়া কলার ধরে মারধর করে শার্টের পকেট ছিঁড়ে টাকা ছিনিয়ে সহযোগীদের হাতে দেয়।
ঘটনার সময়ে কলিম উদ্দিনের চিৎকারে স্থানীয় পথচারীরা এগিয়ে এসে জলিল মিয়াকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। ক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণধোলাই দিলে বাকি দুই সহযোগী মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভুক্তভোগী বৃদ্ধ ন্যায়বিচারের আশায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
ঘটনাস্থলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চুরির দায়ে এলাকা থেকে বিতাড়িত জলিল মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রয়েছে গ্রামবাসীর।
তবে অভিযুক্তের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিন্ন দাবি করা হয়েছে। ফেসবুক স্ট্যাটাসে জলিল মিয়ার দাবি, জমিজমা ও পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, “অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে পেমই তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিউল আলমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”