1. infoobayedcommunicationit@gmail.com : obayed it : obayed it
  2. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
  3. bot@local.invalid : Service Bot :
  4. infoobayed@gmail.com : infoobayed :
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অক্টোবরের মধ্যে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হবে ‘মাদক সেবনে বাধা’ দেয়ায় হত্যা করা হয়: আরপিএমপি কমিশনার প্রথমবারের মতো টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের ছয়ে বাংলাদেশ ইবিতে সিসিআরটিবি’র ক্যান্সার সচেতনতায় অ্যান্টিক্যান্সার ফল বিতরণ কর্মসূচি বঙ্গভবনে উঠলেন রাষ্ট্রপতি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় প্রথমে শিক্ষককে, পরে বাকি ৩ জনকে হত্যা: পুলিশ ভারতীয় বার কাউন্সিল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১৫০ কোটির দুর্নীতির অভিযোগ, পদত্যাগ দাবি জোর-পূর্বক অন্যের জমি দখল করে রান্নাঘর তৈরি করাকে কেন্দ্র করে শিবচরে দু-গ্রুপের সংঘর্ষ। নিউইয়র্ক-সিডনিতে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা, বিমান খাতে বড় উদ্যোগ কাঠালিয়ায় ব্যবসায়ী ও দুই ছেলেকে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

‘মাদক সেবনে বাধা’ দেয়ায় হত্যা করা হয়: আরপিএমপি কমিশনার

Desk report
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

মাদক সেবনে বাধা’ দেয়ায় রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার স্ত্রী-সন্তানসহ চারজনকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ। তিনি বলেন, ‘ওই এলাকার সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নামে দুই মাদকসেবী তাদের হত্যা করেন।’

রোববার নিজ দপ্তর মিলনায়তনে মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রতিবেশী দেবুর নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে এসে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ মাদকসেবন করছিল। এটি দেখে ফেলায় গণপতি চক্রবর্তী, স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীকে একে একে হত্যা করে তারা।

এদিকে এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুইজনকে। তাদের শনিবার ভোর রাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন- মাছুয়াপাড়ার মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯)। তারা সম্পর্কে মামাতো ভাই।

এর আগে গতকাল রংপুরে নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের ৪ সদস্যের লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা ছিল, গত ৩ থেকে ৪ দিন আগে বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন করে ওই বাড়িতে ‘ডাকাতির ঘটনা’ ঘটেছে। গণপতির বাড়ির আসবাবপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অবস্থা পাওয়া গেছে। ডাকাতির পর পুরো পরিবারকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বাড়িতে পড়ে ছিল চারটি লাশ: এলাকাবাসী ও স্বজনরা জানায়, গণপতি চক্রবর্তী ৪ বছর আগে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় দোতলা বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তিনি বাড়িতে বসবাস করতেন। রংপুর জিলা স্কুল থেকে অবসরের পর তিনি রোগীদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা দিতেন। তবে এলাকাবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল খুবই কম। গত বৃহস্পতিবার থেকে তালাবদ্ধ বাড়িতে কোনো সাড়া শব্দ পায়নি এলাকাবাসী। সেই সঙ্গে বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন ছিল। ৩ দিন ধরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে শিক্ষক গণপতি’র শ্যালিকা শনিবার সন্ধ্যায় তার বাড়িতে আসেন। অনেক ডাকাডাকি করে কেউ সাড়া না দিলে বিষয়টি এলাকাবাসীকে জানান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গণপতির বাড়ি এসে প্রথম তলার দ্বিতীয় সিঁড়িতে স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০) ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫), দ্বিতীয় তলায় খাটের নিচে প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২) এবং চিলেকোঠা থেকে গণপতি চক্রবর্তীর (৬৫) লাশ উদ্ধার করে। এ সময় বাড়ির আসবাবপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকাসহ আলমারির ড্রয়ার ভাঙা অবস্থা ছিল।

অবসরের টাকা তুলেছিলেন গণপতি: প্রতিবেশী মোকছেদুল ইসলাম, অঞ্জনা রানীসহ অন্যরা জানান, গণপতি চক্রবর্তী এলাকার লোকজনের সঙ্গে তেমন মিশতেন না। তবে এলাকার কারও সাথে তার কোনো ঝগড়া-বিবাদ ছিল না। রংপুর জিলা স্কুল থেকে অবসরের পর বাসায় থাকতেন তিনি। শিক্ষক গণপতি অবসরের মোটা অংকের টাকা বৃহস্পতিবার তুলেছিলেন বলে তার এক সহকর্মী জানিয়েছেন।

তদন্তে পুলিশ, পিবিআই, সিআইডি: এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে মাঠে নেমেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডি। সিআইডি’র ক্রাইম সিন টিম পুরো ভবনটি ক্রাইম সিনের ফিতা দিয়ে ঘিরে রেখেছে। সেইসঙ্গে ভবনের আনাচে-কানাচে চারদিকে আলামত সংগ্রহ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পিবিআই, সিআইডি’র সাথে সমন্বয় করে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

লাশের গলায় রশি, গামছা ও গেঞ্জি পেঁচানো: হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে থাকা সিআইডি রংপুরের ইনচার্জ সুমিত চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘কোতয়ালী থানা পুলিশের ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। বাড়ির ভেতরে ৩ থেকে ৪ দিন আগে মারা যাওয়া ৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিটি লাশ পঁচন ধরা অবস্থায় ছিল। সেইসঙ্গে বাড়ির বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও প্রাথমিক তদন্তে বোঝা যাচ্ছে এটি ডাকাতির ঘটনা। তবে অধিকর তদন্ত শেষে চূড়ান্ত কারণ বলা যাবে। এছাড়া বাড়ির যেসব আসবাবপত্রে টাকা-পয়সা রাখা হয় সেইসব আসবাবপত্র তারা ভেঙে ফেলেছে। প্রতিটি লাশের গলায় রশি, গামছা কিংবা গেঞ্জি পেঁচানো ছিল। আমরা হত্যাকাণ্ডের আলামত সংগ্রহ করছি। বিস্তারিত তদন্ত শেষে বলা যাবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com