জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চবি প্রশাসনের আলোচনা সভা

ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত এ সভায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

সভায় সভাপতিত্ব ও মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান। আলোচক হিসেবে ছিলেন উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের সভাপতি ও শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, “ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি থেকে আমাদের প্রধান অর্জন জাতীয়তাবাদ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে জাতীয়তাবাদ দর্শনের সৃষ্টি হয়েছিল। এ দর্শন ছিল ধর্মীয় মূল্যবোধ, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের দর্শন। এ দর্শন ছিল কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়, সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব; তবে দেশ চলবে জনগণের সিদ্ধান্তের আলোকে।”

উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, “১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের জটিল ও সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় এবং জাতিকে সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক অনন্য ভূমিকা পালন করেছিলেন।”

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, “সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের একপর্যায়ে খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে অভ্যুত্থান ঘটে এবং সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়। এর প্রতিবাদে ৭ নভেম্বর সাধারণ সৈনিকদের পাশাপাশি জনগণও রাস্তায় নেমে আসে। ইতিহাসে এ ঘটনা ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান’ হিসেবে পরিচিত। এ ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করে। এর মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।”

 

মন্তব্য করুন

জনপ্রিয় খবর

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

Scroll to Top