1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মান্দার মৈনমে রাস্তা নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ, বৃষ্টিতেই উঠে যাচ্ছে পিচ বগুড়ার গাবতলিতে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছচাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু পিরোজপুরে গাঁজার গাছসহ মাদকসেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার দুই ভাঙ্গুড়ায় অবৈধভাবে পুকুর সংস্কারের নামে ভেকু দিয়ে মাটি বিক্রয় জন সাধারণের চলাচলে বিঘ্ন রাজবাড়ী জেলা বিএনপি এর প্রচেষ্টায় প্রবাসী লিটনের মরাদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর, প্রবাসী বিএনপির শোক ঝড়ের কবলে পড়ে চাঁদপুরের দুই লঞ্চ চরে আটকা, প্রায় ৭৫০ যাত্রী উদ্ধার কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যা: বাবা হারানো শোকে কাটছে ছেলের প্রথম জন্মদিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই: তথ্যমন্ত্রী উলশী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগাম জামিন পেলেন জামায়াতের এমপি আমির হামজা

আন্দোলনের প্রকাশ্যে নেতৃত্বে শ্রমিকলীগ নেতা জিয়াবুল ও মামুন: তারপরও ধরাছোয়ার বাইরে

মো: কামরুল হাসান
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

সারা বাংলাদেশে অপারেশন ডেভিল হান্ট চলমান এর মধ্যেই কক্সবাজারে শ্রমিক লীগ নেতা জিয়াবুল ও মামুন কোন ক্ষমতার ইশরায় শান্ত কক্সবাজার কে অশান্ত করার লক্ষ্যে এই আন্দোলন করতেছে, ক্ষণে ক্ষণে রূপ পরিবর্তন করে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপে এরা ফেরত আসতেছে, কিন্তু কোন এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায় সে বারবার অধরা থেকে যাচ্ছে, ৫ই আগষ্ট ফ্যাসিষ্ট সরকার পতনের পর থেকে কক্সবাজার শহরে একদুই দিন পরপর এদের এই আন্দোলনের ইন্ধনদাতাদের আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবিতে পরিনত হয়েছে । রোহিঙ্গাদের জড়ো করে কিসের আন্দোলন, এখানে উল্লেখ্য যে, তারা যে টমটম লাইসেন্স এর দাবি জানাচ্ছে এটা তো অবৈধ একটা বিষয়, এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দান কারী জরিপ আলী নিজে ও তার পরিবারের কাছে অংসখ্য লাইসেন্স ছিল এবং এই ড্রাইভার নামধারীদের ও অনেকের নামে লাইসেন্স ছিল, কিন্তু এরা উচ্চ মূল্যে তা বিক্রি করে এখন আবার বলতেছে ড্রাইভারদের নামে লাইসেন্স দিতে হবে, এ ব্যাপারে কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার কামাল বলেন, সোজা কথায় ড্রাইভারের নামে ড্রাইভিং লাইসেন্স হয় কখনো গাড়ির লাইসেন্স হয়না, গাড়ির লাইসেন্স হয় গাড়ির মালিকের নামে, এই বিষয়টা কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের বুঝা উচিত ছিল । স্থানীয় জনগনের সাথে কথা বললে নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, এদের কে সামনে রেখে প্রশাসনের কিছু লোভি কর্মকর্তা অবৈধ ইনকামের জন্য সড়কের অবৈধ গাড়ি গুলো মাসোহারার বিনিময়ে রেখে তাদের আন্দোলনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতেছে, জেলা প্রশাসনের উচিত হবে এখনই এই সহজ বিষয়টা কে জলঘোলা করে ফ্যাসিষ্টদের দোসর রা সরকারের কর্মকান্ডকে বারবার প্রশ্নের মূখে ফেলার সুযোগ না দিয়ে, এখনই দ্রূত ফ্যাসিষ্টদের এই দোসর দের আইনের আওতায় এনে শান্ত কক্সবাজারকে শান্ত রাখার দায়িত্ব কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকল আইন শৃংখলা বাহিনীর উপর থাকবে ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com