1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক চা দিবস আজ বদলে গেল কুর্মিটোলা হাসপাতালের নাম পুলিশের সঙ্গে টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারা করে স্থানীয় বিএনপি নেতারা: রুমিন ফারহানা চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মহম্মদপুরে মানববন্ধন, ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার দাবি খুলনা মোংলা মহাসড়কে ট্রাক মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জন নিহত খুলনা কেএমপির পুলিশ কমিশনার’র সঙ্গে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ নালিতাবাড়ীতে খাবারের সন্ধানে বন্য হাতির তাণ্ডব, ফসলহানিতে দিশেহারা কৃষক সততা ও জনবান্ধব কাজের জন্য প্রশংসিত ইউএনও মাহমুদুল হাসানের গজারিয়া থেকে মধুপুরে বদলি। কালিগঞ্জে চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ কেন্দুয়ায় শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হলেন ইমরুল কায়েস

আন্তর্জাতিক চা দিবস আজ

Desk report
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

আজ ২১ মে, বিশ্ব চা দিবস। সকালে ঘুম ভাঙা থেকে শুরু করে অফিসের ক্লান্তি দূর করা কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে আড্ডা—বাঙালির প্রাত্যহিক জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এক কাপ চা। কবীর সুমনের সেই বিখ্যাত গানের কলি, ‘এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চাই’—যেন প্রতিদিনের এই চায়ের আড্ডাকেই মনে করিয়ে দেয়।

বিশ্বব্যাপী প্রতিদিন ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটিরও বেশি কাপ চা পান করা হয়। আর এই চা উৎপাদনের নেপথ্যে রয়েছে লাখ লাখ চা-শ্রমিকের অক্লান্ত পরিশ্রম। ন্যাশনাল টুডের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি সেকেন্ডে মানুষ ২৫ হাজার কাপ চা পান করেন। অর্থাৎ প্রতিদিন দুই বিলিয়ন কাপেরও বেশি চা পান করা হয়।

২০০৫ সালে চা উৎপাদনকারী দেশগুলো এক হয়ে আন্তর্জাতিক চা দিবস পালন করে। এই দেশগুলো হলো- শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, মালয়েশিয়া ও উগান্ডা। পরে ২০১৯ সালে ২১ মে বিশ্ব চা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ২০১৯ সালের ২১ ডিসেম্বর জাতিসংঘ চা দিবসকে হ্যাঁ বলে। ২০২০ সালের ২১ মে জাতিসংঘ প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব চা দিবস পালন করে।

ধারণা করা হয়, বিশ্বের জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চা পানকারীদের সংখ্যাও বাড়বে। ভারত ও চীনে চায়ের ব্যাপক জনপ্রিয়তা আছে। চা পানে এই দুটি দেশ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৩৭ শতাংশ অবদান রাখে।

বছরের পর বছর ধরে চা নিয়ে নানান গবেষণা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে গরম পানির সঙ্গে গুল্ম ও পাতা মিশিয়ে পান করা হয়েছে। কিন্তু চায়ের সবচেয়ে আধুনিক সংস্করণ গরম পানির সঙ্গে কয়েক টুকরো চা পাতার মিশিয়ে পান করা। এই পাতা ক্যামেলিয়া সাইনেনসিস উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়। এশিয়ায় গরম চা পান শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে। আর ষোড়শ শতাব্দীর আগে ইউরোপে চা প্রবেশ করতে পারেনি।

১৬০০-এর দশকে ইংল্যান্ডের মানুষ এই সুস্বাদু পানীয়টির প্রেমে পড়তে শুরু করেন এবং এটি আধুনিক শ্রেণির জনপ্রিয় পানীয় হয়ে উঠতে শুরু করে। ব্রিটিশ ভারতে চায়ের উৎপাদন প্রবর্তিত হয়। শুধু তাই নয় তখন বিশ্বব্যাপী এটি একটি শিল্প হয়ে ওঠে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com