ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার চারাতলা নামক স্থানে পুরাতন ব্যাটারি পুড়িয়ে অবৈধভাবে একটি কারখানায় সিসা তৈরির খবর পাওয়া গেছে। সিসা তৈরির কারণে মারাত্মক ঝুঁকিতে আছে আশেপাশের এলাকার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এ কারখানায় রাতের আঁধারে ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি করা হয়। এতে ব্যাটারির অ্যাসিডের তীব্র গন্ধে ভারী হয়ে ওঠে আশপাশের এলাকা। কারখানা থেকে নির্গত ক্ষতিকর ও বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। কারখানার শ্রমিকদের ভাষ্যমতে , এ কাজ তাঁরা সকল উপর মহলের সঙ্গে সমন্বয় করেই করেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কারখানার ভেতরে শ্রমিকেরা কাজ করছেন। কেউ পুরোনো ব্যাটারির ওপরের অংশ খুলে প্লেট (ব্যাটারির ভেতর থাকা পাত) বের করছেন। কেউ ব্যাটারি থেকে অ্যাসিড বের করে সংরক্ষণ করছেন বগুড়া থেকে আসা এই কারখানার শ্রমিক বলেন, ‘আমরা ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি করার জন্য এখানে এসেছি। কাজের ভিত্তিতে মজুরিতে কোনো দিন ৩০০ টাকা কোনো দিন ৪০০ টাকা পাই।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘রাত হলে এখানে ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি করার বিকট শব্দ শোনা যায়।
এবিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালকে অফিসে পাওয়া যায়নি, তার ব্যবহৃত মোবাইল (01712032381) নাম্বারটিতে ফোন দিলে এ বিষয়ে সাংবাদিকের সাথে কথা বলতে রাজি নয়। এ বিষয়ে হরিনাকুন্ডু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথে কথা বললে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন এবং তার ভিত্তিতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এই সিসা কারখানাটি সিলগালা করেন এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন নিরুপমা রায় (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট), হরিণাকুন্ডু ঝিনাইদহ।