1. infoobayedcommunicationit@gmail.com : obayed it : obayed it
  2. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
  3. bot@local.invalid : Service Bot :
  4. infoobayed@gmail.com : infoobayed :
শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন

ডিএনসিসি’র ২০নং ওয়ার্ডে ময়লার বিল নিয়ে বাসিন্দাদের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ মার্চ, ২০২৪
  • ৩০২ বার পড়া হয়েছে
ডিএনসিসি’র ২০ নং ওয়ার্ডের যেসব বাসাবাড়িতে গতমাসেও ১৫০ টাকা ময়লার বিল নিয়েছে চলতি মাসে ৫০ টাকা বাড়িয়ে ২০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। এ নিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
রবিবার (১০ মার্চ) সরেজমিনে দেখা যায়, ‘জ’ ব্লকের এক বাসায় ময়লার বিল নিতে আসা মহিলা ২০০ টাকা বিল চাওয়ায় একজন গৃহিণীর সাথে বাকবিতন্ডা চলছে। শেষ পর্যন্ত গৃহিণী ২০০ টাকা বিল দিতে অস্বীকৃতি জানায়। তিনি বলছিলেন- “আপনারা কিছুদিন পর পর বিল বাড়ান। আমি এখন বিল দিব না। এখন যান, আগে সবার সাথে কথা বলব তারা কত বিল দিয়েছে তারপর দেখব।”
এভাবে ওয়ার্ডের প্রতিটি বাসা বাড়িতে চলতি মাসে ময়লার বিল নিয়ে বাকবিতন্ডা চলছে। যদিও এলাকাবাসী মনে করেন, শেষ পর্যন্ত এই বিল সবার উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। সর্বত্র অনিয়ম ই নিয়মে পরিণত হচ্ছে। একদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবন বিপর্যস্ত। অন্যদিকে পর্যায়ক্রমে বেড়েই চলেছে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের দাম। তার সাথে নাগরিক সেবার জন্য গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। এসব কথা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকেই। তারা বলেন, এই নৈরাজ্য বন্ধ হোক।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ২০নং ওয়ার্ড এলাকায় যে ময়লার বিল নেয় কোনো রিসিট দেয় না। কাউন্সিলর অফিসে অভিযোগ করলে বলে, ‘রিসিট ছাড়া টাকা দিবেন না।’ আবার যারা বিল নিতে আসেন তারা বলে, যারা ইজারা নিয়েছে তারা রিসিট দেয়নি আমাদের। কাউন্সিলর অফিসে সব জানে।’
ময়লার বিল নিয়ে এই চোর পুলিশ খেলার ধোঁয়াশা খোলাসা করার দাবি এলাকার বাসিন্দাদের। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।
এখন প্রশ্ন হলো- ওয়ার্ডের মাননীয় কাউন্সিলর সাহেব কি বাড়তি ময়লার বিল নেওয়ার বিষয়ে অবগত আছেন? এছাড়া এলাকা ভেদে কাউন্সিলর অফিস কর্তৃক ময়লার বিলের নির্ধারিত কোনো রেট আছে কি? এনিয়ে জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। ময়লার বিল বাড়ালে আগে থেকে কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে মাইকিং অথবা বাসা বাড়িতে চিঠি দেওয়া হলে অবশ্য এ বিভ্রান্তি অনেকটা কেটে যায়। তাহলে যারা ময়লার বিল নিতে আসে তাদের সাথে বাকবিতন্ডা করতে হয় না। কোনো ধরনের নোটিস ছাড়া বারবার ময়লার বিল বাড়ানোর কারণে অনেকেই মনে করছেন একটি অসাধু চক্র অনৈতিকভাবে বাড়তি টাকা আদায় করে নিচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, দেশটা মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে। যখন যেভাবে ইচ্ছা দাম বাড়িয়ে দিবে। আর আমাদের তা দিতে হবে।
সব প্রশ্নের উত্তর জানতে ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে গেলে জানা যায়, কাউন্সিলর মোঃ নাছির চিকিৎসা জনিত কারণে দেশের বাইরে গেছেন। তাই ময়লার বাড়তি বিল সংক্রান্ত বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com