1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাজিতপুরে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা পাইকগাছার ২ তরমুজ ব্যবসায়ী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত! সালিশি চুক্তি ভেঙে দ্বন্দ্ব তীব্র—লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর পরিবারের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ রায়গঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত ​নওগাঁর শিক্ষা ও সংস্কৃতির আলোকবর্তিকা: এক বিরামহীন পথচলার নাম প্রফেসর মুহম্মদ ওয়ালীউল ইসলাম ​​নওগাঁ শহর এখন যানজটের নগরী: ফুটপাত দখল আর অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ জনজীবন নাজিরপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন, জনসচেতনতা বাড়াতে নানা কর্মসূচি নাজিরপুরে ডাকাত নিহতের ঘটনায় ডাকাত সর্দার গ্রেফতার থানায় গিয়ে নারী এসআইকে ‘ম্যাডাম’ ডাকায় যুবক আটক! প্রবাসীরা কষ্টে থাকলে দেশও ঝুঁকিতে পড়বে : জামায়াত আমির

থামছেনা অবৈধ ড্রেজার মেশিনে বালু উত্তোলন প্রতিবাদ করায় মামলা দিয়ে হয়রানী

মোতাহার হোসেন, মিঠাপুকুর প্রতিনিধি, রংপুর
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৪৩৩ বার পড়া হয়েছে

মিঠাপুকুরে থামছেনা অবৈধ ড্রেজার মেশিনে বালু উত্তোলন প্রতিবাদ করায় মামলা দিয়ে হয়রানী করছে গ্রামবাসীদের। রংপুরের মিঠাপুকুরে দীর্ঘদিন থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে একটি চক্র।

বাধা নিষেধ ও অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না ভুক্তভোগীরা। ফলে পরিবেশ বিপর্যয়সহ অপুরনীয় ক্ষতির
মুখে পড়ছেন এলাকাবাসী। ঘটনাটি মিঠাপুকুর উপজেলার ১৬নং মির্জাপুর ইউনিয়নের লাটকৃষ্ণপুর গ্রামে। স্থানীয়দের অভিযোগ এবং সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লাটকৃষ্ণপুর গ্রামে শাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি তার দলবল নিয়ে প্রায় ২ বৎসর যাবৎ পাকা রাস্তা স্কুল মসজিদ বসতবাড়ী ও আবাদী মাঠ সংলগ্নস্থানে ড্রেজার
মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।

এরফলে বিরুপ প্রতিক্রিয়া পড়তে শুরু করেছে সেখানে। ইতোমধ্যে এলাকার অনেক পুকুরে দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন, বসতবাড়ীতে ফাটলসহ আবাদী জমিতে পড়েছে নানা প্রভাব। কিছুদিন আগে (৩ আগষ্ট) এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ভ্যাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বালু উত্তোলনকারী শাহিদুল ইসলামের এক লক্ষ টাকা জরিমানা ও তাকে এক মাসের কারাদন্ড দেন।

ভ্যাম্যমান আদালতের দেয়া সাজা ভোগ করে ফিরে আসার পর অভিযুক্ত বালু খেকো শাহিদুল ইসলাম তার দলবল নিয়ে আবারো আগের মত ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে চালাচ্ছেন বালু উত্তোলন। পাশাপাশি মামলা দিয়ে ৯ জন নীরিহ গ্রামবাসীকে হয়রানী করছেন বলে অভিযোগ করেন গ্রাবাসীরা।

বালু খেকো শাহিদুল ইসলামের দেয়া মামলায় হয়রানীর শিকার গ্রামবাসীরা হলেনঃ আঃ রউফের পুত্র আফজাল মিয়া, আফজাল মিয়ার পুত্র সবুজ মিয়া, মতিয়ার রহমানের পুত্র রিপন মিয়া, মজিবর রহমানের পুত্র মাবুদ মিয়া, ফছির উদ্দিনের পুত্র দুদু মিয়া, সেকেন্দার আলীর পুত্র রেজাউল ইসলাম, আতোয়ার রহমানের পুত্র রাশেদ মিয়া, জাফর আলীর পুত্র রুহুল আমিন মাষ্টার ও চৌধুরী মিয়া।

বর্তমানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী শাহিদুল ইসলামের হুমকির মুখে গ্রামবাসীরা কেউ কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। তারা এব্যাপারে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com