1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পবিপ্রবিতে জিওস্পেশাল ও ড্রোন প্রযুক্তি বিষয়ক দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু সোনাতলায় সিনিয়র শিক্ষক জামাল উদ্দিনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত নড়াইলে ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারী ও তার কোলে থাকা শিশুর মৃত্যু টেকনাফ সাংবাদিক সমিতি (টেসাস)-এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন, অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার জোয়ার প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে রংপুরের তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দের একটি টাকাও ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করবো না: এমপি আবু তালেব মন্ডল। প্রশাসনের চোখকে ফাকি দিয়ে মান্দায় রাতের আঁধারে মাটি লুট: ভূমিদস্যুদের দৌরাত্ম্যে বিপর্যস্ত কৃষিজমি ও জনজীবন। জামালপুরের ইসলামপুর মসজিদের ইমামের বিদায় ও দোয়া নীলফামারীতে ট্রলির ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন, পিরোজপুরে মালিককে জরিমানা

নড়াইলে ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারী ও তার কোলে থাকা শিশুর মৃত্যু

মোঃ শফিকুল ইসলাম সাকিল
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে
নড়াইলে সদর উপজেলার বরাশুলা রেল ব্রিজ (চিত্রা রেল ব্রিজ) এর উপর ট্রেনে কাটা পড়ে পলি বেগম(২৭) নামে এক নারী ও তার কোলে থাকা ২ বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২ টা  ৪৫ মিনিটের দিকে দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহত পলি বেগম নড়াইল সদর থানার মূলদাইড় গ্রামের নুর ইসলাম ভূইয়ার স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, নড়াইল পৌর এলাকার বরাশুলা চিত্রা রেল সেতু এলাকায় সাড়ে বারোটার দিকে এক মহিলা তার ছেলে সন্তানকে নিয়ে রেল সেতুর আশপাশে ঘোরাঘুরি করছিল। এসময় স্থানীয়দের কাছে ট্রেন কখন আসবে বলে জিজ্ঞেস করছিল ওই নারী। স্থানীয়রা তাকে সেখান থেকে চলে আসার অনুরোধ করেন। কিছু সময় পর ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বেনাপোলগামী রপসী বাংলা এক্সপ্রেস নামের ট্রেনে কাটা পড়ে ওই নারী। এসময় ওই নারীর কোলে থাকা শিশুটি ছিটকে পড়ে রাস্তায়। শিশুটিকে দেখে দ্রুত ছুটে আসেন স্থানীয়রা।শিশুটি বেঁচে আছেন মনে করে স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিশুটিকে কোলে করে হাসপাতালে নিয়ে আসা বরাশুলা গ্রামের জামাল  বলেন,হঠাৎ করে দেখি রেল সেতুর কাছে মানুষ দৌড়ে  যাচ্ছে। আমি দৌড়ে গিয়ে দোখি এক মহিলা রেলে কাটা পড়ে মারা গেছে। শিশুটি পাশে পড়ে আছে। শিশুটি তখন জীবিত ছিল। আমি শিশুটিকে নিয়ে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে আসি। হাসপাতালের আনলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
গ্রাম পুলিশ মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ১২ টার দিকে ওই নারীকে আমি রেল সেতু এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখছি। তাকে এখান থেকে চলে ও যেতে বলেছিলাম আমি। ওই নারী আামকে বলছিল ট্রেন কখন আসবে? আমি সেতুর নিচে চা খেতে যাই। তখন দেখি রেলের উপর পর্বদিকে মুখ করে শিশুটিকে নিয়ে বসে আছে ওই নারী। কিছু সময় পর ট্রেনে আসলে কাটা পড়ে ওই নারী।
নড়াইল সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক ( তদন্ত)  অজয় কুমার কুন্ডু  বলেন,ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারী ও তার কোলো থাকা এক শিশু নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। রেলের জায়গা হওয়ায় বিষয়টি রেল পুলিশকে জানানো হয়েছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com