1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পবিপ্রবিতে জিওস্পেশাল ও ড্রোন প্রযুক্তি বিষয়ক দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু সোনাতলায় সিনিয়র শিক্ষক জামাল উদ্দিনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত নড়াইলে ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারী ও তার কোলে থাকা শিশুর মৃত্যু টেকনাফ সাংবাদিক সমিতি (টেসাস)-এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন, অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার জোয়ার প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে রংপুরের তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দের একটি টাকাও ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করবো না: এমপি আবু তালেব মন্ডল। প্রশাসনের চোখকে ফাকি দিয়ে মান্দায় রাতের আঁধারে মাটি লুট: ভূমিদস্যুদের দৌরাত্ম্যে বিপর্যস্ত কৃষিজমি ও জনজীবন। জামালপুরের ইসলামপুর মসজিদের ইমামের বিদায় ও দোয়া নীলফামারীতে ট্রলির ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন, পিরোজপুরে মালিককে জরিমানা

সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দের একটি টাকাও ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করবো না: এমপি আবু তালেব মন্ডল।

মোঃ আব্দুল কুদ্দুসঃ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে
 পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল বলেছেন, সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দের একটি টাকাও ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করবো না। জনগণের কল্যাণে বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগানো এবং এর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে ঈশ্বরদীর চরসাহাপুর-দিয়াড় সাহাপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের বাউন্ডারি নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “ঈদগাহ কেবল নামাজ আদায়ের স্থান নয়; এটি সামাজিক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় ঐক্যের প্রতীক। এ ঈদগাহ ময়দানের উন্নয়ন সম্পন্ন হলে এলাকাবাসী আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবেশে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবেন।”
তিনি আরও বলেন, সরকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নের পাশাপাশি মসজিদ, মাদ্রাসা ও ঈদগাহের আধুনিকায়নও সমান গুরুত্ব পাচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং ঈদগাহ মাঠটি আরও সুরক্ষিত ও ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন পাবনা জেলা সভাপতি আলহাজ্ব মো. হাফিজুর রহমান, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক প্রকৌশলী মো. তোজাম্মেল হক (তোজাম) এবং সাহাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছগির বিন নাসির।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চরসাহাপুর-দিয়াড় সাহাপুর মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান ও ঈদগাহ কমিটির সভাপতি হুমায়ন কবির দুলাল সরদার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তসলিম আরিফ তুষার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক মৎস বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রশিদ সরদার, বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান মাষ্টার, ঈদগাহ কমিটির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মালিথা। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আশরাফুল উলুম কওমী মাদ্রাসার মুহতামিম শেখ জাকারিয়া ওসমানী।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এবং বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com