স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে অনলাইনে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়েছে। অনেক সময় কৌতূহল থেকে শুরু হলেও নিয়মিত বা অতিরিক্ত দেখার অভ্যাস ধীরে ধীরে পড়াশোনা, মনোযোগ, ঘুম এবং দৈনন্দিন কাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্নোগ্রাফি বাস্তব সম্পর্ক ও যৌনতা সম্পর্কে অনেক সময় অবাস্তব ধারণা তৈরি করতে পারে। অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে কেউ নিজের দায়িত্ব ও প্রয়োজনীয় কাজ থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিতে পারেন। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের জন্য বয়স-অনুপযোগী কনটেন্ট থেকে দূরে থাকা এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।
এ ধরনের কনটেন্ট থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে নিরাপদ সার্চ ও কনটেন্ট ফিল্টার ব্যবহার, অপ্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট এড়িয়ে চলা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। পাশাপাশি খেলাধুলা, পড়াশোনা, বই পড়া ও সৃজনশীল কাজে সময় দেওয়া সহায়ক হতে পারে।
কেউ যদি মনে করেন অভ্যাসটি নিয়ন্ত্রণ করতে সমস্যা হচ্ছে, তাহলে নিজেকে দোষারোপ না করে বিশ্বস্ত অভিভাবক, শিক্ষক বা কাউন্সেলরের সঙ্গে কথা বলা উচিত। সচেতনতা, পারিবারিক সহযোগিতা ও নিরাপদ ডিজিটাল অভ্যাসই অনলাইনের ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে সুরক্ষার অন্যতম উপায়।