1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পবিপ্রবিতে জিওস্পেশাল ও ড্রোন প্রযুক্তি বিষয়ক দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু সোনাতলায় সিনিয়র শিক্ষক জামাল উদ্দিনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত নড়াইলে ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারী ও তার কোলে থাকা শিশুর মৃত্যু টেকনাফ সাংবাদিক সমিতি (টেসাস)-এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন, অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার জোয়ার প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে রংপুরের তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দের একটি টাকাও ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করবো না: এমপি আবু তালেব মন্ডল। প্রশাসনের চোখকে ফাকি দিয়ে মান্দায় রাতের আঁধারে মাটি লুট: ভূমিদস্যুদের দৌরাত্ম্যে বিপর্যস্ত কৃষিজমি ও জনজীবন। জামালপুরের ইসলামপুর মসজিদের ইমামের বিদায় ও দোয়া নীলফামারীতে ট্রলির ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন, পিরোজপুরে মালিককে জরিমানা

রামপালে সাংবাদিকের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে অপপ্রচার: সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ

শেখ মাসুম বিল্লাহ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় সিনিয়র সাংবাদিক মোতাহার হোসেন মল্লিকের নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত ২৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৫টা ৬ মিনিটে উক্ত ভুয়া আইডি থেকে বাঁশতলী ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সোহেল তাজের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ সম্বলিত একটি আপত্তিকর পোস্ট প্রকাশ করা হয়। এতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ২৫ এপ্রিল ২০২৬ সকাল ১১টায় রামপাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মল্লিক জিয়াউল হক, বাঁশতলী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহেল তাজ এবং সিনিয়র সাংবাদিক মোতাহার হোসেন মল্লিক এবং রামপাল উপজেলা বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোতাহার হোসেন মল্লিক বলেন, একটি কুচক্রী মহল তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া ফেসবুক আইডির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি রামপাল থানায় ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে ৯৬ নম্বর সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন।
তিনি আরও বলেন, “আমার নাম ও ছবি অপব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যার সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। এটি একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, যার উদ্দেশ্য জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং সম্মানিত ব্যক্তিদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা।”
তিনি সোহেল তাজের বিষয়ে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার উন্নয়ন ও সমাজসেবামূলক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিশেষ করে যুব সমাজকে মাদক ও জুয়ার মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং গিলাতলা বাজারে যাত্রী ছাউনি নির্মাণসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
মোতাহার হোসেন মল্লিক প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সাইবার অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।” পাশাপাশি তিনি সকলকে গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে তথ্য যাচাই করে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com