1. infoobayedcommunicationit@gmail.com : obayed it : obayed it
  2. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
  3. bot@local.invalid : Service Bot :
  4. infoobayed@gmail.com : infoobayed :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
একরামুল হত্যা: হাসিনাসহ ৭ জনকে আদালতে হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ Πώς να ξεκινήσετε στο LuckyGem Casino: Οδηγός βημάτων για νέους παίκτες দেবীগঞ্জে ১০ মার্চ প্রথম পতাকা উত্তোলন, ৯ ডিসেম্বর হানাদারমুক্ত চাঁদপুরে দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার মা-ছেলে কেন্দুয়ার ঐতিহাসিক রোয়াইলবাড়ি দুর্গ: সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের অপেক্ষায় ঐতিহ্যবাহী প্রত্নপ্রাঙ্গণ ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ সম্প্রসারণে কেন্দুয়ায় মতবিনিময় সভা রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকূরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান আউয়াল আহমেদ দর্শনা থেকে অপহৃত স্কুলছাত্র রাজশাহী থেকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) চিনি বিভাগে লোকসান, অন্য ৫ বিভাগে মুনাফা কেরুজের চট্টগ্রাম ডুবলে হাঁটু পানিতে শুটিংয়ের নাটক আর দেখতে চাই না: সারজিস

কেন্দুয়ার ঐতিহাসিক রোয়াইলবাড়ি দুর্গ: সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের অপেক্ষায় ঐতিহ্যবাহী প্রত্নপ্রাঙ্গণ

শামীম আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে
Exif_JPEG_420

​নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার বেতাই নদীর তীরে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে ঐতিহাসিক রোয়াইলবাড়ি দুর্গ। স্থানীয়ভাবে ‘দরগাহ’ নামে পরিচিত অনন্য এই প্রত্নস্থাপনাটি শুধু কেন্দুয়ার নয়, বরং পুরো নেত্রকোড়া জেলার গর্ব ও আত্মপরিচয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

​বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত এই সুরক্ষিত দুর্গ এলাকায় রয়েছে প্রধানত চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা—বারদুয়ারী ঢিবি, বুরুজ ঢিবি, ছাদবিহীন পুরোনো ইমারত ও ঐতিহ্যবাহী একটি কবরস্থান। আশির দশকে আবিষ্কৃত হওয়ার পর ১৯৮৭ সালে এটিকে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।

​কেন্দুয়া উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮-১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দুর্গটি চমৎকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা। ইতিহাস ও প্রকৃতির অপরূপ মেলবন্ধনের কারণে প্রতিনিয়ত বহু দর্শনার্থী ও পর্যটক এখানে ছুটে আসেন। সম্প্রতি দুর্গ এলাকার সার্বিক পরিবেশে বেশ কিছু সংস্কারমূলক কাজ করা হলেও দর্শনার্থীদের সহজ যাতায়াত ও সার্বিক সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি রয়ে গেছে।

​বিশেষ করে, রোয়াইলবাড়ি বাজার থেকে দুর্গমুখী প্রধান সড়কের একটি অংশ এখনো কাঁচা থাকায় বর্ষাকালে চলাচলে চরম ভোগান্ত পোহাতে হয়। বৃষ্টির দিনে সড়কটির ওই অংশে কাদা জমে থাকায় পর্যটক ও স্থানীয়দের যাতায়াত কার্যত বিঘ্নিত হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও ঘুরতে আসা পর্যটকদের জোরালো দাবি—যাতায়াতের কাঁচা সড়কটি দ্রুত পাকা ও সুপ্রশস্ত করার পাশাপাশি এখানে আধুনিক পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। দুর্গের আশপাশে পর্যাপ্ত টয়লেট, আধুনিক বিশ্রামাগার, মানসম্মত খাবারের দোকান ও থাকার সুব্যবস্থা করা হলে এটি পূর্ণাঙ্গ ও আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হবে।

​এ বিষয়ে রোয়াইলবাড়ির স্থানীয় বাসিন্দা ও কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমাদের আত্মপরিচয় ও অহংকারের রাজসাক্ষী এই রোয়াইলবাড়ি দুর্গ। এর আধুনিকায়ন ও আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। পাশাপাশি দুর্গে যাতায়াতের সড়কটি দ্রুত উন্নত ও পাকা করা হলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের সংখ্যা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।”

​ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে রোয়াইলবাড়ি দুর্গের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যাতায়াত ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com