1. infoobayedcommunicationit@gmail.com : obayed it : obayed it
  2. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
  3. bot@local.invalid : Service Bot :
  4. infoobayed@gmail.com : infoobayed :
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ উন্নয়ন…মুশফিকুর রহমান এমপি অনৈতিক সম্পর্কের কথা জেনে ফেলায় প্রলোভন দেখান এমপি গাজী নজরুল এবার হামলা হলে জবাব হবে আরও বড় পরিসরে, হুঁশিয়ারি ইরানের যেকোনো মুহূর্তে ছাত্রদলের নতুন কমিটি, শেষ মুহূর্তে আলোচনায় যারা বাংলাদেশের ডিআরএস নিয়ে মন্তব্য আম্পায়ারের সতর্কবার্তায় ফের বিতর্কে স্মিথ নিজ মাথায় গুলি করে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার আত্মহত্যা বিএনপির রাজনীতির মূল শক্তি জনগণ: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম পূর্ণ মন্ত্রী’র দায়িত্ব পাওয়ায় জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ও বকশীগঞ্জে আনন্দ মিছিল ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ১০টি ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি স্থগিত ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের গভীর রাতের মশাল মিছিল, ভিডিও ভাইরাল

জায়গা দিলে তার নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করে দেব: শিক্ষামন্ত্রী

desk reporter
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন কাজের অংশ হিসেবে ১৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় অপসারণ করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। এতে ক্ষতিগ্রস্ত এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠনে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি যদি স্কুল স্থাপনের জন্য জমি প্রদান করেন, তাহলে মন্ত্রণালয় নিজস্ব অর্থায়নে ভবন নির্মাণ করবে এবং প্রতিষ্ঠানটি ওই দাতার নামানুসারে নামকরণ করা হবে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে সিলেট বিভাগের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ১৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পড়েছে। এসব স্কুল ভেঙে ফেলেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। তাদের কাছ থেকে আমরা টাকা নিব, তারপর স্কুল করবো, এটা হলো সরকারি নিয়ম। যে ভেঙেছে সে টাকা দিবে। তবে আমি বলেছি যদি কোনো শিক্ষানুরাগী জায়গা দেন, আমি বিল্ডিং করে প্রতিষ্ঠান ওনার নামে করে দেবে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিব।

শিক্ষকদের কল্যান ট্রাস্টের বিষয়ে তিনি বলেন, আগের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিপুল অঙ্কের অর্থে অনিয়ম হওয়ায় বর্তমানে শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্টে পর্যাপ্ত তহবিল নেই। তবে সরকার দ্রুত এই সংকট কাটিয়ে উঠতে কাজ করছে। আগামী বাজেটে কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য থোক বরাদ্দ রাখার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি এবং এ বিষয়ে কিছুটা সময় দেওয়ার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, অবসরে যাওয়া অনেক শিক্ষক অসুস্থ অবস্থায় আবেদন করেও বছরের পর বছর তাদের প্রাপ্য অর্থ পাননি। অর্থের সংকটে অনেককে সন্তানের কাছে হাত পাততে হয়েছে। এমনকি চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে না পেরে অনেক শিক্ষক মৃত্যুবরণও করেছেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com